January 25, 2022, 11:25 pm

এনআইডি প্রতারণা: সাবরিনার বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ১২ নভেম্বর

সংবাদদাতার নাম:
  • প্রকাশিত: সোমবার, নভেম্বর ২, ২০২০
  • 42 দেখা হয়েছে:

স্টাফ ক‌রেসপ‌ন্ডেন্ট

প্রথম জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) তথ্য গোপন করে দ্বিতীয় এনআইডি করার অভিযোগে নিবাচন কমিশনের (ইসি) করা মামলায় জেকেজি হেলথ কেয়ারের চেয়ারম্যান ও জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউটের চিকিৎসক ডা. সাবরিনা শারমিনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ১২ নভেম্বর নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।

সোমবার (০২ নভেম্বর) তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য থাকলেও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বাড্ডা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মইনুল ইসলাম প্রতিবেদন দাখিল না করায় ঢাকা মেট্রাপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাদবীর ইয়াছির আহসান চৌধুরী নতুন এ তারিখ ধার্য করেন।

এর আগে গেল ১ অক্টোবর নির্ধারিত দিনে প্রতিবেদন জমা না পড়ায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ০২ নভেম্বর দিন ধার্য করেছিলেন একই বিচারক।

গেল ৩০ আগস্ট এনআইডি প্রতারণার অভিযোগে ডা. সাবরিনার বিরুদ্ধে গুলশান থানায় মামলা দায়ের করেন নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মমিন মিয়া। গত ৩ সেপ্টেম্বর আদালত ডা. সাবরিনার ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। রিমান্ড শেষে গত ১৪ সেপ্টেম্বর মামলাটিতে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি কারাগারেই আছেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, সাবরিনার দুটি এনআইডি কার্ড সক্রিয়। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বিষয়টি টের পাওয়ার পর বিস্তারিত জানতে ইসির কাছে তথ্য চেয়েছে। সাবরিনা ২০১৬ সালের ভোটার তালিকা হালনাগাদের সময় দ্বিতীয়বার ভোটার হন। তিনি প্রথমে ভোটার হন সাবরিনা শারমিন হোসেন নাম। একটিতে জন্ম তারিখ দেয়া হয় ১৯৭৮ সালের ২ ডিসেম্বর। অন্যটিতে ১৯৮৩ সালের ২ ডিসেম্বর। প্রথমটিতে স্বামীর নাম হিসেবে ব্যবহার করা হয় আর এইচ হক আর দ্বিতীয়টিতে স্বামীর নাম লেখা হয় আরিফুল চৌধুরী।

এদিকে করোনা ভাইরাসের পরীক্ষা নিয়ে রিপোর্ট জালিয়াতির মামলায় জেকেজি হেলথ কেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা ও প্রতিষ্ঠানটির সিইও আরিফুল হক চৌধুরীসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে নিম্ন আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণ চলমান রয়েছে।

গত ২৩ জুন করোনা ভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা না করেই ভুয়া রিপোর্ট দেয়ার অভিযোগ এনে তেজগাঁও থানায় মামলাটি করেন কামাল হোসেন নামের এক ব্যক্তি। মামলায় পেনাল কোডের ১৭০/২৬৯/৪২০/৪০৬/৪৬৬/৪৭১/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়। যার মধ্যে একাধিক ধারায় সর্বোচ্চ শাস্তি ৭ বছরের কারাদণ্ড।

সরকারি অনুমতি নিয়ে নমুনা সংগ্রহের নামে সাধারণ মানুষের কাছে করোনার নেগেটিভ-পজিটিভ জাল সনদ বিক্রি করে বিপুল পরিমান অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের এই মামলায় ডা. সাবরিনা ও আরিফুল হক চৌধুরীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ইতোমধ্যে তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরো সংবাদ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। © All rights reserved © 2020 ABCBanglaNews24
Theme By bogranewslive
themesba-lates1749691102