October 25, 2021, 1:55 pm
তাঁজাখবর
বাগমারায় এক গৃহবধূ নির্যাতনের শিকার বগুড়া সদরের লাহিড়ীপাড়ায় নিহত সিএনজি চালক জাহেরের দাফন শেষে সিএনজি চালকদের মানববন্ধন সাংবাদিক নাসির উদ্দীন বালীর মৃত্যুতে শোক সভা ও দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত প্রয়াণ দিবসে কবি জীবনানন্দ দাশকে নিয়ে বগুড়ায় আলোচনা চৌহালীতে খাষপুকুরিয়ার ইউপি নির্বাচনে নৌকা’র প্রতীক প্রত্যাশী মাসুম সিকদার আদমদীঘিতে রক্তদহ বিলে অভিযানঃ ২ হাজার মিটার ভাদাই জাল জব্দ সান্তাহারে ট্রেন থেকে চোলাই মদসহ গ্রেপ্তার ১ কাজিপুরে আওয়ামীলীগের উদ্যোগে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল দক্ষিণ বঙ্গের রাজনৈতিক অভিভাবক আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ’র হাত ধরে দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছেন উজিরপুর উপজেলা চেয়ারম্যান নন্দীগ্রামে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার-৬

ওসি প্রদীপ, লিয়াকত ও নন্দদুলালকে রিমান্ডে পেলো র‌্যাব

সংবাদদাতার নাম:
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, আগস্ট ১৮, ২০২০
  • 14 দেখা হয়েছে:

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

বহুল আলোচিত অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা রাশেদ খান হত্যা মামলায় টেকনাফ থানার বরখাস্ত ওসি প্রদীপ কুমার দাসসহ অভিযুক্ত ৩ পুলিশকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডে নিয়েছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র‌্যাব)।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে তাদের রিমান্ডে নেয় পুলিশের এই বিশেষ বাহিনীটি।

র‌্যাবের হেফাজতে যাওয়া এই তিন পুলিশ সদস্য হলেন- সিনহা হত্যার ঘটনায় তার বোনের করা মামলার ১ নম্বর আসামি টেকনাফ বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ পরিদর্শক মো. লিয়াকত, ২ নম্বর আসামি টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাস ও ৩ নম্বর আসামি বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক (এসআই) নন্দদুলাল রক্ষিত।

এই তিনজনকে রিমান্ডে নেয়ার বিষয়টি ব্রেকিংনিউজকে নিশ্চিত করেছেন র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক আশিক বিল্লাহ।

এর আগে গতকাল সোমবার রাতে কক্সবাজারের জলতরঙ্গ রিসোর্টে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে আশিক বিল্লাহ বলেছিলেন, ‘ইতোমধ্যে র‌্যাবের তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের চার সদস্য ও সন্দেহভাজন তিন আসামিকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। আমরা তাদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছি। দক্ষ ও পেশাদারির মাধ্যমে এই মামলা তদন্ত করছে র‌্যাব। তদন্ত শেষ হলে পুরো বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে।’

সিনহা হত্যা মামলায় গতকাল সোমবার কক্সবাজার জেলগেটে ওসি প্রদীপসহ ৩ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এর মধ্যে মামলার ১ নম্বর আসামি বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ পরিদর্শক লিয়াকত আলী ও বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক (এসআই) নন্দদুলাল রক্ষিতকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষ হয়। মঙ্গলবার সকালে টেকনাফ থানার বরখাস্ত হওয়া ওসি প্রদীপ কুমার দাসকে কক্সবাজার জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদ শেষ করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটির কর্মকর্তারা। এরপরই এই তিনকে নিজেদের হেফাজতে নেয় র‌্যাব।

সোমবার রাতে প্রেস ব্রিফিংয়ে আশিক বিল্লাহ বলেন, ‘ইতোমধ্যে র‌্যাবের তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের ৪ সদস্য ও সন্দেহভাজন ৩ আসামিকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। আমরা তাদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছি। দক্ষ ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে এই মামলা তদন্ত করছে র‌্যাব। তদন্ত শেষ হলে পুরো বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে।’

তিনি বলেন, ‘ঘটনার মূল সাক্ষী শিপ্রা দেবনাথ ও সিফাতের কম্পিউটার ডিভাইসসহ ২৯টি সামগ্রী কক্সবাজারের রামু থানায় পুলিশের হেফাজতে রক্ষিত আছে। আমরা তদন্তকারী কর্মকর্তা বিজ্ঞ আদালতে মাধ্যম উক্ত সরঞ্জামাদি র‌্যাব হেফাজতে নেয়া হবে। কারণ, মামলার তদন্তের স্বার্থে উক্ত কম্পিউটার ডিভাইস গুরুত্বপূর্ণ।’

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গঠিত তদন্ত কমিটির প্রধান চট্টগ্রাম বিভাগীয় অতিরিক্ত কমিশনার মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, ওসি প্রদীপসহ যে তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করার কথা রয়েছে তাদের মধ্যে পরিদর্শক লিয়াকত আলী ও উপপরিদর্শক (এসআই) নন্দদুলাল রক্ষিতের জিজ্ঞাসাবাদ শেষ হয়েছে। ওসি প্রদীপকে মঙ্গলবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। অন্য চার পুলিশ সদস্য ও তিন সাক্ষীদের আগেই জিজ্ঞাসাবাদ শেষ করেছি আমরা।’

গত ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফের মারিশবুনিয়া পাহাড়ে ভিডিওচিত্র ধারণ করে মেরিন ড্রাইভ দিয়ে কক্সবাজারের হিমছড়ি এলাকার নীলিমা রিসোর্টে ফেরার পথে শামলাপুর তল্লাশি চৌকিতে গুলিতে নিহত হন মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ।

এ সময় পুলিশ সিনহার সঙ্গে থাকা সিফাতকে আটক করে কারাগারে পাঠায়। পরে রিসোর্ট থেকে শিপ্রাকে আটক করা হয়। দুজনই বর্তমানে জামিনে মুক্ত।

মেজর সিনহা হত্যার ঘটনায় ৫ আগস্ট সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌসী বাদী হয়ে কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্টেট আদালতে এসআই লিয়াকত, ওসি প্রদীপ কুমার দাসসহ ৯ পুলিশের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। এছাড়াও সিনহা হত্যার ঘটনায় টেকনাফ থানায় পুলিশের করা দুটি মামলার ৩ সাক্ষীকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। ৭ পুলিশ ও ৩ সাক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে র‌্যাব। মামলায় অভিযুক্ত ২ পুলিশ পলাতক আছে।

শুরু থেকেই মামলাটির তদন্তভার দেয়া হয় র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়নকে (র‌্যাব)। শুরুতে র‌্যাব-১৫ এর সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) জামিলুল হক মামলাটির তদন্ত করছিলেন। এরইমধ্যে দুদিন আগে জামিলুলের জায়গায় (আইও) র‌্যাব-১৫ কক্সবাজার ব্যাটালিয়ানের সহকারী পরিচালক এএসপি খাইরুল ইসলামকে তদন্তভার দেয়া হয়।

এদিকে মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে মেজর সিনহা হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে গ্রেফতার আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) ৩ সদস্যকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে সোপর্দ করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। এর আগে গতকাল সোমবার রাতে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরো সংবাদ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। © All rights reserved © 2020 ABCBanglaNews24
Theme By bogranewslive
themesba-lates1749691102