October 23, 2021, 10:26 am
তাঁজাখবর
সাংবাদিক নাসির উদ্দীন বালীর মৃত্যুতে শোক সভা ও দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত প্রয়াণ দিবসে কবি জীবনানন্দ দাশকে নিয়ে বগুড়ায় আলোচনা চৌহালীতে খাষপুকুরিয়ার ইউপি নির্বাচনে নৌকা’র প্রতীক প্রত্যাশী মাসুম সিকদার আদমদীঘিতে রক্তদহ বিলে অভিযানঃ ২ হাজার মিটার ভাদাই জাল জব্দ সান্তাহারে ট্রেন থেকে চোলাই মদসহ গ্রেপ্তার ১ কাজিপুরে আওয়ামীলীগের উদ্যোগে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল দক্ষিণ বঙ্গের রাজনৈতিক অভিভাবক আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ’র হাত ধরে দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছেন উজিরপুর উপজেলা চেয়ারম্যান নন্দীগ্রামে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার-৬ বাগমারায় দখলীয় নির্মাণাধীন ঘর জামাল ক্যাডার বাহিনী দ্বারা বিধ্বস্ত শাজাহানপুরে ইউপি নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন পেলেন যারা

করোনা ও বন্যার প্রভাব পড়ছে রংপুরের কামারপল্লীতে

সংবাদদাতার নাম:
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, জুলাই ৩০, ২০২০
  • 28 দেখা হয়েছে:

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, মুসলমানদের বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব ঈদ-উল-আযহা। যা কোরবানি ঈদ নামেই পরিচিত।  মহান আল্লাহ তায়ালাকে রাজি খুশি রাখার জন্য ধর্মীয় রীতি-নীতি অনুযায়ী এই উৎসবে পশু জবাই করে কোরবানি করেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।

এই উৎসবের আর বাকি রয়েছে মাত্র ২ দিন। যে সময় সব থেকে ব্যস্ত থাকে কামাররা, কিন্তু এবার বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাস ও কয়েক দফায় বন্যার প্রভাব পড়েছে। ফলে আগের মত ব্যস্ততা নেই রংপুর নগরীসহ জেলার কামারপল্লীতে।

সরেজমিনে নগরীর কামারপাড়া, আশরতপুর, বুড়িরহাট, কামারের মোড়, লালবাগ, মর্ডাণ, মাহিগঞ্জসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে এ চিত্র দেখা গেছে।

কামাররা বলেন, প্রতি বছর কোরবানির ঈদে ১০-১৫ দিন আগে থেকেই ব্যস্ত সময় পার করেন তারা। দম ফেলানোর সময় পান না। তবে এবার ঘটছে তার উল্টো। করোনা আর কয়েক দফা বন্যার কারণে তাদের পেশায় বিরুপ প্রভাব পড়েছে। আগের মত কাজ নেই। অলস সময় কাটছে তাদের।

তারা আরও বলেন, মানুষ অর্থ সংকটে রয়েছে যার ফলে আমরা প্রতি বছরের ন্যায় এবার কাজ নেই বললেই চলে। এর প্রভাব কামারদের জীবনমানে পড়বে।

এ বিষয়ে কথা হয় নগরীর আশরতপুর কামারের মোড় এলাকার রতন কর্মকার (৩৫) এর সাথে। তিনি বলেন, তার দোকানে তিনিসহ আরও দুইজন কর্মচারী রয়েছে। কোরবানির ঈদকে ঘিরে তিনি বছরের সবচেয়ে বেশি কাজ করেন। কিন্তুু এবার কাজের পরিমাণ গত বছরের তুলনায় অর্ধেকেরও কমে গেছে, ফলে আমাদের আয় নেই বললেই চলে।

অন্যদিকে সুকুমার চন্দ্র কর্মকার (৪৫) বলেন, ছোটবেলা থেকেই বাবার মাধ্যমে কামারের কাজ শিখি। পরে এটাকে পেশা হিসাবে নেই। এখন আমার দুই ছেলেও এই পেশায় যোগ দিয়েছে। জন্মলগ্ন থেকে দেখেছি, জেনেছি কোরবানির ঈদে সব থেকে ব্যস্ত থাকে কামারা কিন্তু এবার ঘটেছে তার ব্যতিক্রম, কাজ খুব হালকা ফলে আয় কমে গেছে। অনেকে গরুর বদলে খাসি কোরবানি দিচ্ছে, ফলে হাতিয়ার তৈরীর চাহিদা ও কমে গেছে।

রংপুর বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দফতর সূত্রে জানা গেছে, বিভাগের আট জেলায় কোরবানির পশুর চাহিদা সাড়ে ছয় লাখ হলেও কোরবানিযোগ্য পশু মজুত আছে ৭ লাখ ৭২ হাজার ৮৮১টি। এর মধ্যে ষাঁড়, বলদ, গাভী, মহিষ চার লাখ ৯৮ হাজার ৫৩৪টি, ছাগল, ভেড়াসহ অন্যান্য দুই লাখ ৭১ হাজার ২৩৩টি এবং গৃহপালিত পশু আছে এক লাখেরও বেশি।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরো সংবাদ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। © All rights reserved © 2020 ABCBanglaNews24
Theme By bogranewslive
themesba-lates1749691102