May 19, 2022, 10:46 pm
তাঁজাখবর
বগুড়ায় বিভাগীয় সাংস্কৃতিক দক্ষতা ও প্রশিক্ষন কর্মশালা সম্পন্ন শাজাহানপুরে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টের উদ্বোধন শাজাহানপুরে সৎ বাবার সঙ্গে মায়ের তালাকের কারণে শিশু সামিউলকে হত্যা বগুড়ায় প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে আপওিকর ভিডিও থানায় অভিযোগ শাজাহানপুরে ফসলি জমি থেকে উদ্ধার হওয়া শিশুর লাশের সন্ধান লাভ  শাজাহানপুরের আড়িয়ায় ফসলের ক্ষেত থেকে শিশুর লাশ উদ্ধার  বিদেশ নয়,এখন বগুড়ার শেরপুরে তৈরি হচ্ছে বিদেশী কৃষি যন্ত্র বগুড়ার শাজাহানপুরে বিদ্যুতায়িত হয়ে টিন মিস্ত্রির মৃত্যু বগুড়ায় ১ হাজার পিস ইয়াবাসহ মাদক সম্রাট আসিক গ্রেফতার বগুড়ায় ১৩ বছর পর হত্যা মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার 

চীন–ভারত টক্কর গড়াবে কত দূর

সংবাদদাতার নাম:
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, জুন ১৮, ২০২০
  • 121 দেখা হয়েছে:

ভারত ও চীন। দুই দেশই পারমাণবিক শক্তিধর। এই দুই দেশের মধ্যে সম্প্রতি সীমান্তবিরোধ নিয়ে উত্তেজনা বাড়ছে। গত সোমবার দিবাগত রাতে সংঘর্ষে ১ জন কর্নেলসহ ২০ ভারতীয় জওয়ান নিহত হয়েছেন। রক্তক্ষয়ী এই সংঘর্ষ সম্প্রসারণবাদী জাতীয়তাবাদের বিপদকে সমনে এনেছে।

ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের লাদাখ এলাকার সীমান্তে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। চীনও এ নিয়ে বিবৃতি দিয়েছে। তবে কোনো হতাহতের খবর উল্লেখ করেনি। আর এই সংঘর্ষের ঘটনার দায় চাপিয়েছে ভারতের ওপর। অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে বলা যায়, চীনে এমন হতাহতের তথ্য প্রকাশ হতে বেশ সময় লাগে। কারণ, দেশটির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এসব তথ্য নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। এসব কারণে তথ্যের জন্য ভারতের গণমাধ্যমের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।

চীনের সঙ্গে ভারতের সীমান্তবিরোধ নতুন নয়। এর আগেও এমন সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। তবে শেষ এমন রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়েছিল ১৯৭৫ সালে। সেবার চার ভারতীয় সেনা নিহত হয়েছিল অরুণাচল প্রদেশে। আর ১৯৬২ সালে ছোটখাটো একটি যুদ্ধ হয়েছিল এই দুই দেশের মধ্যে। ফলে এবারে ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে স্বাভাবিকভাবেই ধারণা করা হচ্ছে, আকস্মিক এক ঝড় আসবে; যা দুই দেশের ওপরই প্রভাব ফেলবে।

১৯৬২ সালের ওই যুদ্ধের পর দুই দেশের সীমান্তের মধ্যে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (এলএসি) ঠিক হয়। কিন্তু দুই দেশের মধ্যে এ নিয়ে কোনো সম্মতি ছিল না, ছিল না কোনো নিয়ন্ত্রণ। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ের ঘটনার মধ্য দিয়ে এটাই প্রকাশ পাচ্ছে। তবে দুই পক্ষ সম্মত হয়েছিল যে তারা সীমান্তে আগ্নেয়াস্ত্র ছাড়া টহল দেবে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ের সংঘর্ষের ঘটনা একটি বিষয় স্পষ্ট করে দিয়েছে যে এমন সংঘর্ষের ঘটনা আরও ঘটতে পারে।

কয়েক দশক ধরে সীমান্তবর্তী এলাকায় স্থাপনা নির্মাণ বাড়িয়েছে চীন। আর কয়েক বছর ধরে এই পথে হাঁটতে শুরু করেছে ভারত। কিন্তু চীন চেষ্টা করছে ভারতকে এই পথ থেকে সরিয়ে দিতে। গত মে মাস থেকে চীনের সেনাদের এই চেষ্টা চোখে পড়ার মতো। সেখানকার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ব্রুকিংস ইনস্টিটিউটের ‘ইন্ডিয়া প্রজেক্টের’ পরিচালক তানভি মাদান বলেন, এ ধরনের এলাকা নিয়ন্ত্রণে রাখা কঠিন। ব্যাপারটা এমন নয় যে এমন ঘটনা শুধু তাৎক্ষণিকভাবে ঘটেছে। এটা নিয়ে চীনের ঊর্ধ্বতন মহল থেকে নির্দেশনা এসেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (এমআইটি) নিরাপত্তা অধ্যয়নের অধ্যাপক ভিপিন নারাংয়ের মতে, ভারতের গণমাধ্যম তুলনামূলক স্বাধীন। এ অবস্থায় জাতীয়তাবাদীদের দিক থেকে একধরনের চাপ আছে প্রতিশোধ নেওয়ার বিষয়ে। ফলে খুব সহজে এই উত্তেজনা কমিয়ে আনা কঠিন হবে ভারতের জন্য।

গার্ডিয়ানের বিশ্লেষণ

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরো সংবাদ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। © All rights reserved © 2020 ABCBanglaNews24
Theme By bogranewslive
themesba-lates1749691102