May 22, 2022, 10:22 pm
তাঁজাখবর
শাজাহানপুরে আড়িয়া ইউনিয়নে বিট পুলিশিং সমাবেশ অনুষ্ঠিত শাজাহানপুরে কুখ্যাত ফেনসিডিল ব্যবসায়ী সোহেল গ্রেফতার শাজাহানপুরে এক মণ ধানের দামে মিলছে না একজন শ্রমিক  বগুড়ায় কালবৈশাখী ঝড়ে  ঝরে পড়লো দুইটি তরতাজা প্রাণ শাজাহানপুরে সারা মনি’র জন্মদিনে দোয়া দেশের মানুষের মুক্তির জন্য খালেদা জিয়ার মুক্তির বিকল্প নেই -আজাদ সাংবাদিক ও প্রভাষক নাহিদ আল মালেকের এলএলবি ডিগ্রি লাভ বগুড়ায় বিভাগীয় সাংস্কৃতিক দক্ষতা ও প্রশিক্ষন কর্মশালা সম্পন্ন শাজাহানপুরে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টের উদ্বোধন শাজাহানপুরে সৎ বাবার সঙ্গে মায়ের তালাকের কারণে শিশু সামিউলকে হত্যা

দিনাজপুরের খানসামায় আলুর দামে ধস

সংবাদদাতার নাম:
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, জানুয়ারি ২৫, ২০২২
  • 34 দেখা হয়েছে:

নিউজ ডেস্ক

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার মাটি আলু চাষের জন্য বেশ উপযোগী হওয়ায় প্রতি বছর আলু চাষ বাড়ছে। স্থানীয় চাহিদা পূরণ করে অন্য জেলাতেও সরবরাহ করা হয় এখানকার আলু। কিন্তু এবার আলুর দাম না পেয়ে লোকসানে পড়েছেন চাষিরা। গত বছর চাষিরা এই সময় প্রতি কেজি আলু মাঠেই বিক্রি করেছিলেন ২০-২৫ টাকা দরে। আর এবার প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ৫-৬ টাকা দরে।

যার উৎপাদন খরচই হচ্ছে কেজি প্রতি ১০-১২ টাকা দরে। তারপরও মাঠে ক্রেতা নেই। গত বছর অধিক দামে আলু বিক্রি করে লাভবান হওয়ায় এবারও লাভের আশায় আলু চাষে ঝুঁকেছিলেন কৃষক। কিন্তু আলুর বাজারে ধস নামায় হতাশ হচ্ছেন চাষিরা। উপজেলা কৃষি স¤প্রসারণ অফিস সূত্রে জানা যায়, এবার উপজেলায় ৩ হাজার ২৫০ হেক্টর জমিতে আলুর চাষ হয়েছে। আলুর ফলনও অনেক ভাল হয়েছে। যদিও আলু চাষের জন্য লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৪ হাজার ৩৩৫ হেক্টর জমি।

চাষিরা জানান, এক বিঘা জমিতে আলু উৎপাদন করতে সাধারণত কমপক্ষে ৩০ থেকে ৩২ হাজার টাকা খরচ হয়। গড়ে এক বিঘা জমিতে ৭৫ মণ আলু উৎপাদন হয়। এই হিসাবে প্রতি কেজি আলুর উৎপাদন খরচ ১০-১২ টাকা। সাধারণত মাটিতে একবার আলু রোপণ করলে একবার ফলন পাওয়া গেলেও এবারের চিত্র ছিল ভিন্ন। চাষিরা এবার দুই বার আলু রোপণ করে ফলন পাচ্ছেন মাত্র একবার। আগাম আলু রোপণের কয়েকদিন পড়ে বর্ষার শেষের বৃষ্টিতে রোপণকৃত আলু মাঠেই পচে যায়। লাভের আশায় সেই জমিতে ফের আলু রোপণ করেন চাষিরা। সে কারণে উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে চাষিদের।

পাকেরহাট এলাকার আলু চাষি আব্দুল মজিদ বলেন, আমি এবার ৩ একর জমিতে আলু চাষ করেছি। গতবছর আলুর ভালো দাম পেয়ে লাভবান হয়েছিলাম, কিন্তু এবারে আলু ৬ টাকা দরে বিক্রি করতে হলো, তাও ক্রেতা পাওয়া যাচ্ছে না। এবারে আমি আলু চাষ করে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত।

ওই এলাকার আরেক চাষি রফিকুল ইসলাম বলেন, এবারে কীটনাশকের দাম অনেক বেশি ছিল। আর এবারে আলুর দাম কম। এবার আমাদের অনেক লোকসান হবে। এক মণ আলু বিক্রি করে একটা কামলা খরচ দিতে হয়। তাহলে হিসাব করেন আমাদের অবস্থানটা কোথায়। আমরা এবার আলু চাষ করে লোকসানে পরে গেলাম। ভেড়ভেড়ী এলাকার আলু চাষি মাজেদুর বলেন, গত বছর আলুর দাম বেশি ছিল এবং কম ফলনেও ভালো লাভ হয়। এবার বেশি ফলনেও লোকসান হচ্ছে। এবার লাভ তো দূরের কথা আসলও তুলতে পারছি না। কম দামে আলু বিক্রি করে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে। এরপরও নগদ টাকার ক্রেতা নেই। এমতাবস্থায় সরকার যদি আলুচাষিদের দিকে না তাকায় তাহলে আমরা আগ্রহ হারিয়ে ফেলব।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বাসুদেব রায় বলেন, কৃষকরা এখন আলু তুলছে। এবার আলুর ফলন মোটামুটি ভালো হয়েছে। তবে দাম কম পাচ্ছেন কৃষক। খুচরা বাজারে আলুর যে দাম পাইকারি বাজারে তার থেকেও অনেক কম। কৃষি অধিদফতর মনে করছে, এই আলু যদি আরও ১০-১৫ দিন আগে তোলা হতো তাহলে কৃষকরা দাম মোটামুটি ভালো পেতেন। তবে সামনের দিকে দাম কিছুটা বাড়লে চাষিদের লোকসানে পড়তে হবে না। চাষিদের যে কোনো পরামর্শের জন্য কৃষি বিভাগ মাঠ পর্যায়ে রয়েছে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরো সংবাদ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। © All rights reserved © 2020 ABCBanglaNews24
Theme By bogranewslive
themesba-lates1749691102