October 28, 2021, 8:20 am
তাঁজাখবর
বগুড়ায় একাধিক শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মুদি দোকানী গ্রেফতার উজিরপুরে কালিহাতায় ঐতিহ্যবাহী সিকদার বাড়িতে ইউপি সদস‍্য প্রার্থী সালামের উঠান বৈঠক চৌহালীতে নবাগত উপজেলা শিক্ষা অফিসারের যোগদান গোমস্তাপুরে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মাঝে সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রাখার লক্ষ্যে সম্প্রীতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে উজিরপুরে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে মনোনীত প্রার্থীদের শুভেচ্ছা জানাতে বিমান বন্দরে নেতাকর্মীদের ঢল শাজাহানপুরে উপজেলা ছাত্রদলের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত মডেল মেডিসিন শপ স্থাপন বিষয়ে সাড়া জাগিয়েছে অনলাইন ভিত্তিক জুম পুশিক্ষন কার্যক্রম যমুনার পাড়ে দাড়িয়ে থাকা যে দশজন নৌকায় উঠতে পারলেন বাগমারায় উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখতে চায় আল- মামুন বাগমারায় এক গৃহবধূ নির্যাতনের শিকার

প্রত্যাশিত দাম নিয়ে সংশয়ে রংপুরের দেড় লাখ খামারি

সংবাদদাতার নাম:
  • প্রকাশিত: বুধবার, জুলাই ২৯, ২০২০
  • 25 দেখা হয়েছে:

 সোহেল 

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে রংপুর বিভাগের ৮ জেলায় খামার ও বাসাবাড়িতে কোরবানি যোগ্য প্রায় ৯ লাখ পশু প্রস্তুত করা হয়েছে। তবে করোনা ও বন্যা দুর্যোগের কারণে পশুর প্রত্যাশিত দাম পাওয়া নিয়ে নগরীরসহ রংপুর বিভাগের দেড় লাখ খামারি সংশয়ে আছেন।

অনেকেই কম দামে গরু বিক্রি করছেন। তবে রংপুর বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দফতরের কর্মকর্তারা বলছেন করোনা, চলতি বন্যা ও লাম্পিং ডিজিজের প্রভাব পড়বে না কোরবানির পশু বিক্রিতে। চাহিদার চেয়ে বেশি মজুদ রয়েছে। তাই স্থানীয় চাহিদা পূরণ করে পশু যাবে দেশের বিভিন্ন স্থানে। এজন্য সড়ক পথের পাশাপাশি নতুন সংযোজন হিসেবে রেলপথকেও বেছে নেয়া হয়েছে। এছাড়া জেলা প্রশাসন ও প্রাণিসম্পদের যৌথ উদ্যোগে অনলাইনে সহজে পশু কেনার সু-ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

এদিকে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে গোটা বিভাগে প্রায় শতাধিক কোরবানির পশুর হাটে কেনাবেচার ব্যাবস্থা করছে জেলা প্রশাসনসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

এ ব্যাপারে রংপুর বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দফতরের উপ-পরিচালক ডা. হাবিবুল হক জানান, বিভাগের আট জেলায় কোরবানির পশুর চাহিদা সাড়ে ছয় লাখ হলেও কোরবানিযোগ্য পশু মজুত আছে ৭ লাখ ৭২ হাজার ৮৮১টি। এর মধ্যে ষাঁড়, বলদ, গাভী, মহিষ চার লাখ ৯৮ হাজার ৫৩৪টি, ছাগল, ভেড়াসহ অন্যান্য দুই লাখ ৭১ হাজার ২৩৩টি এবং গৃহপালিত পশু আছে এক লাখেরও বেশি।

অন্যদিকে বিভাগীয়, জেলা ও প্রাণিসম্পদ দফতরের এত কিছুর উদ্যাগের পরও পশুর কাঙ্খিত দাম পাওয়া নিয়ে খামারিরা সংশয়ে আছেন। করোনা ও বন্যার প্রভাব পড়েছে দেশের উত্তরাঞ্চলের হাটগুলোতে। সেই সঙ্গে রয়েছে গরুর লাম্পিং স্কিন ডিজিজ। গরু কেনায় তেমন আগ্রহ নেই ব্যবসায়ীদের। হাটে সাধারণ ক্রেতাদেরও নেই ভিড়।

রংপুর নগরীর পশ্চিম খটখটিয়ার জোবেদা লাইভস্টক কমপ্লেক্সের পরিচালক রেজওয়ানুল হক টফি জানান, শিক্ষিত হয়ে দেশে কোনো চাকরি জোটেনি তার ভাগ্যে। সংসারের বোঝা না হয়ে পাড়ি জমান বিদেশে। সেখানে ৫ বছর থাকার পর বাড়িতে এসে শুরু করেন গরু মোটাতাজাকরণ প্রকল্প। তার খামারে ৫০ থেকে ৮০ হাজার টাকা দামের ১৫টি গরু আছে। প্রতিটি গরুর পেছনে প্রতিদিন তার খরচ হচ্ছে কমপক্ষে ৫০০ টাকা। গেল বছর পশু খাদ্যের দাম কম থাকলেও এ বছর করোনা ও বন্যার কারণে খাদ্যের দাম বেড়েছে। কিন্তু বাড়েনি গরুর দাম। এখন পযন্ত অনেকেই খামারে এসে গরুর দাম বললেও তাতে তার গরু কেনা ও লালন-পালনের দাম উঠবে না বলে তিনি দাবি করেন।

সাতমাথা বীরভদ্র গ্রামের খামারি আফজাল পাটোয়ারী ও সুজন পাটোয়ারী গত এক দশক ধরে গরু মোটাতাজাকরণ প্রকল্প করে আসলেও এবারের ঈদে পশুর ন্যায্য মূল্য পাবেন না জেনে অনেক আগেই কম দামে গরু বিক্রি করেছেন। বুক ভরা আশা নিয়ে তার মতো অনেকেই গরু লালন-পালন করলেও এ বছরও শঙ্কায় আছেন বিভাগের এক লাখ ৫৫ হাজার ৮০২ জন খামারি।

রংপুর বিভাগীয় কমিশনার কে এম তারিকুল ইসলাম জানান, ক্রেতা-বিক্রেতারা যাতে নিরাপদে পশু কেনাবেচা করতে পারেন সেজন্য সব ধরনের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হয়েছে। প্রতিটি পশুর হাটে মোবাইল ব্যাংকিং সুবিধাসহ জালটাকা শনাক্তকরণ মেশিন থাকবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও তৎপর থাকবে।

পুলিশের রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি দেবদাস ভট্টাচার্য জানান, দেশীয় শিল্প রক্ষায় ভারতীয় গরুর প্রবেশ ঠেকাতে বিজিবির পাশাপাশি পুলিশও শক্ত অবস্থানে রয়েছে। সড়ক-মহাসড়কে নিরাপদে পশু পরিবহনের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরো সংবাদ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। © All rights reserved © 2020 ABCBanglaNews24
Theme By bogranewslive
themesba-lates1749691102