October 17, 2021, 2:55 am
তাঁজাখবর
শাজাহানপুর থানা পুলিশ কর্তৃক ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার কাজিপুরে জলবায়ু পরিবর্তন বাস্তুচ্যুতি এবং অভিবাসন বিষয়ক বহু-অংশীজনের সংলাপ উজিরপুরে বিশ্ব খাদ্য দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও র‌্যালি অনুষ্ঠিত শাজাহানপুরে পুজা মন্ডপ পরিদর্শন করলেন বিএনপি নেতা এনামুল হক শাহীন ধুনটে দুর্গা উৎসবে অর্থ সহায়তা দিলেন এমপি হাবিব ও পুত্র সনি শাজাহানপুরে পুলিশ সুপার সুদীপ কুমার চক্রবর্তীর দুর্গামন্ডপ পরিদর্শন বগুড়ার শেরপুরে বিদ্যুৎস্পর্শে ৪ জনের মৃত্যু : বগুড়ায় এক ঘণ্টার জন্য ডিসি কলেজছাত্রী আফিয়া ফেসবুকে কিডনি কেনা-বেচা : সংঘবদ্ধ চক্রের হোতাসহ গ্রেফতার ৫ শাজাহানপুরে হেরোইন সহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

রাজশাহীর মোহনপুরে লোকসানের মুখে পটল ও কাঁচা মরিচ চাষীরা

সংবাদদাতার নাম:
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, জুলাই ৮, ২০২১
  • 88 দেখা হয়েছে:

রাজশাহী প্রতিনিধি:

রাজশাহীর মোহনপুরে গত কয়েকদিনের বৃষ্টি ও চলমান লকডাউনের কারণে কাঁচা মরিচ ও পটলের বাজারে ধস নেমেছে। প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ১৫ থেকে ১৮ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হচ্ছে। আর পটল ১২ থেকে ১৪ টাকা কেজি দরে বিক্রয় হচ্ছে। এদিকে দাম না পেয়ে চরম লোকসানের মুখে পড়ছে মরিচ ও পটল চাষিরা। উপজেলার বিদিরপুর ও কেশরহাটে ঘুরে এমন চিত্রই দেখা যায়।

বুধবার সরেজমিনে বিদিরপুর হাটে গিয়ে দেখা গেছে, হাটে বস্তায় বস্তায় কাঁচা মরিচ ও পটল নিয়ে বসে আছেন চাষীরা। কিন্তু ক্রেতার দেখা মিলছে না। ক্রেতা মিললেও দাম বলছে কম। ফলে প্রতি মণ কাঁচা মরিচ ৬০০ টাকা থেকে ৭০০ টাকা এবং পটল ৫০০ টাকা থেকে ৫৫০ টাকা দরে বিক্রি করছেন চাষীরা।

বিদিরপুর হাটে মরিচ বিক্রি করতে আসা জালাল উদ্দীন খান নামের এক চাষী বলেন, গত কয়েক দিনের বৃষ্টিতে জমিতে পানি উঠেছে। তাই গাছগুলো অল্পদিনেই মরে যাবে। এখন মরিচ না তুলতে সেগুলো জমিতেই পচে যাবে। তাই বাধ্য হয়ে তুলতে হয়েছে। কিন্তু এখন দেখছি বাজারেও দাম নেই। এই দামে বিক্রি করলে যে খরচ হয়েছে সেটি উঠবে না।

আয়নাল হক নামে আরেক চাষি বলেন, একদিকে লকডাউন অন্যদিকে বৃষ্টি। এতে পটল তুলতে না পেরে পেকে জমিতেই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তাই কম দামে বিক্রি করছি। লাভ তো দূরের কথা, পটল চাষে যে টাকা খরচ হয়েছে তাই উঠবে না।

উপজেলার চাঁদপুর গ্রামের মরিচ চাষী মাহাবুব আলম বলেন, মানুষ বাজারে আসতে পারছে না। তাই মরিচের এ অবস্থা। তবে উঁচু জমির মরিচ চাষীরা এখন দাম না পেলেও পরে ভালো দাম পাবে। আর আমাদের জমি থেকে মরিচ তোলা ও বাজারে নিয়ে আসার খরচ এবং খাজনা দিয়ে কিছুই থাকছে না। তবে অন্যান্য সবজির দাম তুলনামূলক ভাল ছিল।

মোহনপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রহিমা খাতুনের সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ধরেননি।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরো সংবাদ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। © All rights reserved © 2020 ABCBanglaNews24
Theme By bogranewslive
themesba-lates1749691102