May 25, 2022, 5:26 pm

শাজাহানপুরে মায়ের কারণে বাবার আদর স্নেহ থেকে বঞ্চিত দুটি অবুঝ শিশু

সংবাদদাতার নাম:
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, মার্চ ৪, ২০২২
  • 22 দেখা হয়েছে:

 

মিজানুর রহমান মিলন  :

বগুড়ার শাজাহানপুরে মায়ের কারণে বাবার আদর স্নেহ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে মো: মুজাহিদ (৭) এবং মোঃ রুবায়েদ (৪) নামের দুটি অবুঝ শিশু। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার আমরুল ইউনিয়নের রাধানগর গ্রামে।এ ব্যাপারে শিশু দুটির মা মোছা: রুমাইসা খাতুন(২৮)’র নামে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী শিশু দুটির পিতা। রুমাইসা খাতুন উপজেলার চুপিনগর ইউনিয়নের দইকান্দি উত্তর পাড়া গ্রামের মোঃ নজরুল ইসলামের মেয়ে।শিশু দুটির পিতা রাধানগর গ্রামের মোঃ আনছার আলীর ছেলে মোঃ মাহতাব উদ্দিন (৩৪) জানান, ২০১২ সালের জুন মাসে রুমাইসা খাতুন (২৮)সম্পর্কে খালাতো বোনের সাথে পারিবারিক ভাবে তাদের বিবাহ হয়। দাম্পত্য জীবন সুখেই বসবাস করছিল তারা। পেশা হিসেবে মাহতাব উপজেলার আড়িয়া বাজারে ‘সেভ সঞ্চয় ঋণদান সমবায় সমিতি ‘নামে একটি এবং উপজেলার নগর হাটে গ্রীন ফিউচার পাবলিক স্কুল ও গ্রীন ফিউচার ইলেকট্রনিক্স এন্ড ফার্নিচার নামে দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছিলো। মহামারী করোনাভাইরাস এর কারণে ব্যবসায়ের ক্ষতি হয়। যার কারনে জীবন জীবিকার তাগিদে কর্মসংস্হানের জন্য ঢাকায় চাকরি করতে যায় মাহতাব।এর আগে সরল বিশ্বাসে স্ত্রীর নামে ১০ শতক জমি সহ বিভিন্ন স্বর্ণালঙ্কার কিনে দেয় সে।এছাড়াও রুমাইসা বাড়িতে হাঁস -মুরগি,গরু -ছাগল পালন করে সব টাকা সে নেয়। রুমাইসার বাবা নজরুল ইসলাম মার্ডার কেসের আসামি হাইকোর্ট হতে পুরোপরিবারের চারজনকে জামিনে মুক্ত করে নিয়ে তার বাড়িতে প্রায় দেড় বছর ধরে রাখে সে। স্ত্রী রুমাইছার ভাইকে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চাকরি দেয়। ভাই এর সহযোগিতায় প্রায় আড়াই লক্ষ টাকা নিয়ে তার স্ত্রী বাড়ি থেকে চলে যায়।মান সম্মান রক্ষার্থে পারিবারিক ভাবে মাহতাব ও তার পরিবার বেশ কয়েকবার তাদের বাসায় যায়। কিন্তু সে দেখা না করে পালিয়ে যায়। তারপর থানায় জিডি সহ চেয়ারম্যানের মাধ্যমে বিভিন্ন ভাবে চেষ্টার পর সে আর ফিরে আসেনি। কিছুদিন পর তার স্ত্রী রুমাইসা বগুড়া ক্যান্টনমেন্ট মেস ওয়েটার পদে চাকরি নেয়।এতে কোনো বাধা দেয়নি মাহতাব।তারপর থেকে তার স্ত্রীর নাম্বারে সে ফোন দিলে তার স্ত্রী মাহতাবের নাম্বার ব্লাকলিষ্টে রাখে। কিন্তু অন্য মানুষদের সাথে একটানা ২/৩ ঘন্টা কথা বলে রাত দুইটা পর্যন্ত। মাহতাব তার শশুর শাশুড়ীকে বিষয় টি জানায়।এতে করে মাহতাবের উপর শশুর বাড়ির লোকজন অনেক চড়াও হয়। অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। মাহতাব এর প্রতিবাদ করলে তাকে মেরা ফেলার হুমকি দেয়। এবং তাদের মেয়েকে তার বাড়িতে আর পাঠাবেনা জানিয়ে দেয়। ঘটনার পর গত ৯ জানুয়ারী ২০২২ তারিখে ডিভোর্স নোটিশ পাঠায় তার স্ত্রী রুমাইসা। মাহতাব সেই ডিভোর্স নোটিশ এখন পর্যন্ত গ্রহন করে নি। তারপর থেকে তার দুটি অবুঝ শিশুকে দেখা করতে দেয়না তার স্ত্রীর পরিবার। পরকীয়ার টানে দুই সন্তান রেখে স্বামীকে ডিভোর্স। নারী পরকীয়ায় সংসার ত্যাগ করলেও দোষ নেই। আর পুরুষ করলে কঠিন শাস্তি পেতে হয়।এই কালো আইন বাতিল করে রুমাইছার মতো ছলনাময়ী স্বার্থলোভী নারীদের কঠিন শাস্তি দাবি করে এবং তার কলিজার টুকরা অবুঝ শিশু দুটিকে ফিরে পেতে বিভিন্ন ব্যক্তি, সংগঠন, মিডিয়া, আইনী সহযোগিতা কামনা ও মানবাধিকার কর্মী ও সংগঠনের সাহায্য কামনা করেছেন ভুক্তভোগী অবুঝ শিশু দুটির পিতা মো:মাহতাবউদ্দিন।
এ ব্যাপারে তার স্ত্রী রুমাইসার ফোনে যোগাযোগ করে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার নামে টাকা আত্মসাতের বিষয় টি সম্পূর্ন মিথ্যা, আমি কোন তার টাকা নেই নি। দুইটি সন্তান রেখে স্বামীকে ডিভোর্সের বিষয় জানতে চাইলে এটা তার ব্যক্তিগত ব্যাপার বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরো সংবাদ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। © All rights reserved © 2020 ABCBanglaNews24
Theme By bogranewslive
themesba-lates1749691102