May 21, 2022, 9:43 am
তাঁজাখবর
বগুড়ায় কালবৈশাখী ঝড়ে  ঝরে পড়লো দুইটি তরতাজা প্রাণ শাজাহানপুরে সারা মনি’র জন্মদিনে দোয়া দেশের মানুষের মুক্তির জন্য খালেদা জিয়ার মুক্তির বিকল্প নেই -আজাদ সাংবাদিক ও প্রভাষক নাহিদ আল মালেকের এলএলবি ডিগ্রি লাভ বগুড়ায় বিভাগীয় সাংস্কৃতিক দক্ষতা ও প্রশিক্ষন কর্মশালা সম্পন্ন শাজাহানপুরে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টের উদ্বোধন শাজাহানপুরে সৎ বাবার সঙ্গে মায়ের তালাকের কারণে শিশু সামিউলকে হত্যা বগুড়ায় প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে আপওিকর ভিডিও থানায় অভিযোগ শাজাহানপুরে ফসলি জমি থেকে উদ্ধার হওয়া শিশুর লাশের সন্ধান লাভ  শাজাহানপুরের আড়িয়ায় ফসলের ক্ষেত থেকে শিশুর লাশ উদ্ধার 

৩৮ মণের ‘রাজাবাবুর’ দাম হাঁকাচ্ছেন ২৫ লাখ

সংবাদদাতার নাম:
  • প্রকাশিত: শনিবার, জুলাই ২৫, ২০২০
  • 117 দেখা হয়েছে:

জামালপুর প্রতিনিধি

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় ১১ ফুট লম্বা, ৬ ফুট উচ্চতার ৩৮ মণ ওজনের ‘রাজাবাবুর’ দাম হাঁকাচ্ছেন ২৫ লাখ টাকা। উপজেলার ফুলকোচা ইউপির রাজাপুর গ্রামের রাজাবাবুকে দেখতে প্রতিদিন ভিড় করছে শত শত মানুষ। এটি জেলার সবচেয়ে বড় কোরবানির গরু দাবি করছেন এর মালিক লুৎফর রহমান।

সরেজমিনে দেখা যায়, রাজাপুর গ্রামে বিশাল একটি বিলের পাশে লুৎফর রহমানের বাড়ি। বিলের পাড়ে একটি ছোট্ট ঘর। সেখানেই মোটা রশিতে রাজাবাবুকে বেঁধে রাখা হয়েছে। রাজাবাবু ঘরে থাকতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে বলে জানান তার মালিক। তাকে দেখতে বিভিন্ন গ্রাম থেকে মানুষ ভিড় করেছে।

রাজাপুর গ্রামের রুহুল আমিন জানান, এবার কোরবানির ঈদে গরুটি বিক্রি করা হবে। এ খবরে ক্রেতাসহ দর্শনার্থীরা ভিড় করছেন। রাজাবাবুর মালিক রাজাপুর গ্রামের লুৎফর রহমান একজন সরকারি কর্মচারী। তিনি চাকরির পাশাপাশি তার বাড়িতে গড়ে তুলেছেন ছোট একটি গরুর খামার। অবসর সময়ে তিনি গরু খামারের পরিচর্যার কাজ করে থাকেন।

লুৎফর রহমানের একটি গাভির গর্ভে জন্ম নেয়া রাজাবাবুর বয়স এখন সাড়ে ৩ বছর। ষাঁড়টি দেশীয় খাবার দিয়ে লালন পালন করা হয়েছে। এছাড়া রোগ প্রতিরোধে নিয়মিত ডাক্তারী পরীক্ষাও করা হয়েছে। গরুটি লালন পালনে দুই কর্মচারী রেখে রাত দিন পরিশ্রম করে রাজাবাবুকে বিক্রির জন্য তৈরি করা হয়েছে।

খামার মালিক লুৎফর রহমান জানিয়েছেন, রাজাবাবুর পেছনে এ পর্যন্ত তার খরচ হয়েছে ১২ থেকে ১৩ লাখ টাকা। তার ইচ্ছে এবারের কোরবানির ঈদে গরুটি বিক্রি হবে। জেলার সবচেয়ে বড় গরু এটি।

তিনি আরো জানান, গাভি থেকে রাজাবাবুর জন্ম। এটির বয়স সাড়ে তিন বছর। ওই গাভির ২০ কেজি দুধ হতো। রাজাবাবুর জন্য দুধ বিক্রি করতেন না। দেশীয় পদ্ধতিতে গরুটি হৃষ্টপুষ্ট করার প্রক্রিয়া শুরু করেন। প্রয়োজন মতো খাবার ও পরিচর্যা করেন। ভালোবেসে গ্রামের নামের সঙ্গে মিলিয়ে নাম দেন ‘রাজাবাবু’। দিনে দিনে ওজন বেড়ে গরুটি ৩৮ মণে এসে দাঁড়িয়েছে।

শুধু রাজাবাবুই নয়, তার খামারে আরো ১৫টি ছোট-বড় ষাঁড় রয়েছে। গরুটি ফিজিয়ান জাতের। এর খাদ্য তালিকায় রয়েছে কাঁচা ঘাস, খড়, গম, ধানের গুঁড়া, ভুসি, ভুট্টা ও খুদের ভাত। সব মিলিয়ে গরুটি প্রতিদিন প্রায় ৩০ কেজি খাবার খায়। অফিস শেষ করেই রাজাবাবুর কাছে চলে আসেন। এছাড়াও পরিবারের একজন সদস্যের মতো করে গরুটি পালন করেছেন।

এদিকে রাজাবাবুকে দেখতে ক্রেতার পাশাপাশি উৎসুক দর্শনার্থীরাও ভিড় করছেন রাজাপুর গ্রামে। অনেকেই আবার রাজাবাবুর সঙ্গে সেলফি তুলছেন।

রাজাবাবুকে দেখতে এসেছেন আমিনুল ইসলাম নামে এক যুবক। তিনি গরুটির ছবি তুলেন। তিনি বলেন, গরুটি দেখতে অনেক সুন্দর। অনেক বড় গরু। এত বড় গরু এ জেলায় মনে হয় আর নেই। গরুর নাম রাজাবাবু শুনেই তিনি দেখতে আসছেন।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরো সংবাদ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। © All rights reserved © 2020 ABCBanglaNews24
Theme By bogranewslive
themesba-lates1749691102